হলফনামায় মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান উল্লেখ করেছেন তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতা নন। নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামার তথ্য মতে তার হাতে নগদ রয়েছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৭শত ৫৯ টাকা, ব্যাংকে জমা ১৮লাখ ৯৩ হাজার, ৫শত ৪১টাকা, বিমা ও ট্রাস্ট ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬শত ৮০টাকা, গাড়ি ১টি ঢাকা মেট্রো ঘ- ১৪০৬৭১ (অধিগ্রহণকালীন মূল্য নেই)। বার্ষিক আয় যোগ করে হয় ১০লাখ ৮৭হাজার ২শত।
আয়কর রিটার্ন দেখানো আয়ের পরিমাণ ১০লাখ ৮৭হাজার ২শত টাকা। মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন দাখিলের বছর ২৫-২৬
আয়কর রিটার্ন দেখানো সম্পদের পরিমাণ ৫৭লাখ ৫ হাজার ১শত ৯৪ টাকা, প্রদত্ত আয়করের পরিমাণ ৭৩ হাজার,৪শত ৬১টাকা, স্ত্রী উম্মে ছালমা সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন দাখিলের বছর ২৫-২৬ অর্থ বছরে আয়কর রিটার্ন দেখানো আয়ের পরিমাণ ৩লাখ টাকা, আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ ২৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা, প্রদত্ত আয়করের পরিমাণ উল্লেখ নেই।
মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান এবং তার স্ত্রী উম্মে ছালমা দুজনেই আইনজীবী। তাদের অধিনস্থ নির্ভরশীল ২ ছেলে ১ মেয়ে পড়াশোনা করেন। ৫৬ বছর ৪মাস ১২দিন বয়সী মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান মিরসরাই উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের পশ্চিম মিঠানালা গ্রামে ১৬ আগস্ট ১৯৬৯ সালে জন্ম গ্রহন করেন। পিতা মোহাম্মদ আবদুল হক নিজামী। মাতা শায়েস্তা বেগম। শিক্ষাগত যোগ্যতা এম, এ, এল, এল,বি।
গত ২৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করার পর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান তার হলফনামায় নিজের সম্পত্তি ও আর্থিক অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। তার দেওয়া তথ্য মতে ইলেকট্রনিকস ৮০হাজার, আসবাব পত্রের মধ্যে খাট, আলমারি এবং সোফার মূল্য ৯০ হাজার টাকা, ফরমের ১৪ এবং ১৫ কলামে (১-১২ ) অর্জনকালীন এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করেননি। স্থাবর সম্পদের পরিমাণ অকৃষি জমি ২.৪৭৫০ শতক মূল্য ২লাখ ৩৪ হাজার, ০.১৯৫ শতক মূল্য ৫ লাখ৬হাজার ২শত ৫০ টাকা, ০.৪৩৫৯ শতক মূল্য ৩৬৮৯৯৫ টাকা,
আয়ের উৎস আইন পরামর্শক হিসেবে ৫লাখ ৬০ হাজার, চাকুরী থেকে ৫লাখ ১৯হাজার ৯শত ৮৩টাকা, অন্যান্য ৭হাজার ২শত ১৭টাকা। সরকারের কোন প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বা অর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে একক প্রাতিষ্ঠানিক বা অধিনস্থদের যৌথ দেনা বা ঋন নেই। তার নামে কোন মামলা নেই।
হলফনামায় মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান উল্লেখ করেছেন তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতা নন। তার হাতে নগদ রয়েছে ১০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
তিনি বা তার পরিবারে কোনো সদস্য ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করেননি।
মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান জানান, আমি মিরসরাইতে ছাত্র রাজনীতি করেছি, সরকারের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ছিলাম, আইনজীবীদের সংগঠন নেতৃত্ব দিয়েছি। সব সময় মিরসরাই বাসির সুখ দুঃখে পাশে ছিলাম। মিরসরাইকে একটা জনগণের স্বপ্নের মতো সমৃদ্ধ মিরসরাই গড়তে আসন্ন নির্বাচনে আমি সকলের দোয়া চাই। আইনজীবী পেশায় থাকার কারনে মিরসরাই উপজেলার মানুষের পাশে ছিলাম। আশা করি নির্বাচনে ভোটাররা আমাকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাবেন। আমার জীবনে কোন দুর্নীতি নেই, কোন ধরনের ঋর নেই। আমি মিরসরাই আসনে জনগণের স্বপ্নের সমৃদ্ধ মিরসরাই গড়তে মানুষের ভালোবাসা চাই, দোয়া চাই।


